Wednesday, 21 October 2026
  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • গোপনীয়তার নীতি
  • যোগাযোগ
  • লগইন
  • রেজিস্টার
Muldhara - Bangla Daily
Advertisement
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
Muldhara - Bangla Daily
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
প্রচ্ছদ জাতীয়

সশস্ত্র বাহিনী দিবসে জাতির প্রহরীদের শুভেচ্ছা

ড. মো. মিজানুর রহমান

Muldhara পোস্ট করেছেন Muldhara
November 21, 2025
মধ্যে জাতীয়
0
সশস্ত্র বাহিনী দিবসে জাতির প্রহরীদের শুভেচ্ছা

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সেনা, নৌ এবং বিমান—এই তিন বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের ভূমিকা ছিল অপরিসিম।

0
শেয়ার
7
দেখেছেন
Share on FacebookShare on Twitter

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী দিবস প্রতি বছর ২১ নভেম্বর উদ্যাপিত হয়। একটি দিন যা কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং জাতির অস্তিত্ব রক্ষাকারী বাহিনীর সাহস, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধের প্রতি গভীর সম্মান প্রদর্শনের দিন। মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জন্ম নেওয়া এই দিবস জাতির সমগ্র ইতিহাসের একটি উজ্জ্বল স্মারক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আঞ্চলিক গেরিলা দল, নিয়মিত বাহিনী ও সেক্টর কমান্ডারদের নেতৃত্বে যে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল, তার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীকালে সশস্ত্র বাহিনী আধুনিক রাষ্ট্রের সুরক্ষা-প্রহরী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই দিবস তাই একটি স্মরণপত্র—সাহসের, ত্যাগের, দেশপ্রেমের এবং দায়িত্ববোধের।

মুক্তিযুদ্ধের সময় সেনা, নৌ এবং বিমান—এই তিন বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট পাকিস্তানি দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে স্বাধীনতাযুদ্ধকে শক্তিশালী করেছে। স্থলযুদ্ধে গেরিলা ও নিয়মিত বাহিনী, নৌ-মিশনে নদী ও সমুদ্রপথে মুক্তাঞ্চল নিশ্চিত করা এবং বিমানযুদ্ধে সীমিত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও আকাশ থেকে হামলা পরিচালনা—সবই ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায়। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে তখনকার বাহিনীতে ছিল সীমিত অস্ত্র, সীমিত প্রশিক্ষণ, সীমিত প্রযুক্তি; কিন্তু ছিল অদম্য মনোবল, স্বাধীনতার প্রতি আস্থা এবং জাতির প্রতি দায়বদ্ধতা। আজও বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্য সেই নৈতিক সাহস ও আত্মত্যাগের উত্তরাধিকার বুকে ধারণ করে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যুদ্ধক্ষেত্রের পাশাপাশি আশ্রয়স্থল, খাদ্য ও চিকিত্সাসহ বেসামরিক জনগণের সুরক্ষায় তাদের অবদান স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে রয়ে গেছে। মুক্তিযুদ্ধের এই নৈতিক সাহসিকতা ও নেতৃত্বের উদাহরণ আজও সৈন্য ও সাধারণ মানুষকে প্রেরণা জোগায়।

বর্তমান বিশ্বে একটি দেশ শুধু সংখ্যাগত সৈন্যশক্তির ওপর ভর করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না; প্রয়োজন হয় আধুনিক প্রযুক্তি, ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্যাটেলাইট নজরদারি, আকাশ প্রতিরক্ষা, নৌ-সক্ষমতা এবং উন্নত সমরাস্ত্র। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে গত এক দশকে প্রযুক্তিভিত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সেনাবাহিনী এগিয়ে যাচ্ছে আধুনিক ট্যাংক, সাঁজোয়া যান, স্বয়ংক্রিয় কামান, রিমোট সেন্সর, ড্রোন এবং যুদ্ধক্ষেত্রের তথ্য সংগ্রহকারী ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে। একই সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং কর্প ও লজিস্টিক ইউনিটকে উন্নত করা হয়েছে, যাতে যুদ্ধক্ষেত্রের পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলায়ও তারা বিশ্বমানের সক্ষমতা দেখাতে পারে।

নৌবাহিনী অর্জন করেছে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ, ফ্রিগেট, মিসাইল সজ্জিত প্যাট্রোল ক্র্যাফট, সাবমেরিন, মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট এবং উন্নত রাডার সিস্টেম। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা, নৌপথ, ব্লু ইকোনমি, মত্স্যসম্পদ এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা রক্ষায় নৌবাহিনী এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সক্ষম বাহিনী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে। বিমান বাহিনী যুক্ত হয়েছে আধুনিক মালটিরোল ফাইটার জেট, ট্রেনার এয়ারক্রাফট, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, সার্ভেইল্যান্স রাডার, UAV (ড্রোন) এবং স্যাটেলাইট-ভিত্তিক যোগাযোগ প্রযুক্তির সঙ্গে। আকাশ নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, সমুদ্র ও স্থল অভিযানে সমর্থন দিতে বিমান বাহিনী এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রস্তুত, দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং কৌশলগতভাবে উন্নত।

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি রক্ষা, বিদ্রোহী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়, জাতীয় নির্বাচন চলাকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জাতিসংঘ শান্তি মিশনে অংশগ্রহণ—সর্বক্ষেত্রেই সশস্ত্র বাহিনী দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক মর্যাদা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শান্তি মিশনে সশস্ত্র বাহিনী শুধু নিরাপত্তা প্রদান করেন না, তারা স্থানীয় জনগণকে মানবিক সহায়তা, পুনর্গঠন এবং শিক্ষা কার্যক্রমেও সহায়তা করেন। দেশে ফিরে এই অভিজ্ঞতা জাতীয় নিরাপত্তা, প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত পরিকল্পনায় প্রয়োগ করা হয়।

বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ একটি দেশ। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, দাবদাহ বা সুনামির সময় সশস্ত্র বাহিনী শুধু উদ্ধার ও ত্রাণে সীমাবদ্ধ থাকে না; তারা জীবন রক্ষা, বসতি পুনর্গঠন এবং জরুরি অবকাঠামো রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমন্বয়দক্ষতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা দেশকে দৃঢ় নিরাপত্তা প্রদান করে।

সীমান্ত নিরাপত্তা ও দায়বোধের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি সশস্ত্র বাহিনীকে দ্রুত এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম করে। বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় রাডার, ড্রোন, নজরদারি ক্যামেরা এবং সেন্সর স্থাপন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এটি শুধু অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ নয়, সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘর্ষ প্রতিরোধ এবং শান্তি রক্ষাতেও সহায়ক। তাছাড়া, আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট ব্যবহার করে সেনারা সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করতে পারে, যা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় ও নিরাপত্তাগত সিদ্ধান্ত গ্রহণকে সহজ করে।

সশস্ত্র বাহিনী, বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা এবং নৌবাহিনী, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের সীমান্ত ও জলসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্ভাব্য হুমকি শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিহত করার সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সমুদ্রসীমায়, বঙ্গোপসাগরে নৌবাহিনী আধুনিক জাহাজ, সাবমেরিন, রাডার ও অটোমেটেড সিস্টেম ব্যবহার করে দেশের জলসীমা, মত্স্যসম্পদ ও সামুদ্রিক সুরক্ষা রক্ষা করছে। এই ধরনের আধুনিকীকরণ শুধু বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ায় না, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং প্রতিবেশী দেশের পলিটিক্যাল চাপ মোকাবিলাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বর্তমান বিশ্বে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কৌশল হলো নিজস্ব দেশে সমরাস্ত্র উত্পাদন। বাংলাদেশও এই লক্ষ্যে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF), Bangladesh Ordnance Factories (BOF), নৌবাহিনীর খোদ কারখানায় জাহাজ নির্মাণ, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পের কারখানা—সব মিলিয়ে দেশীয় প্রতিরক্ষাশিল্প এখন দ্রুত বিকাশমান। দেশে এখন তৈরি হচ্ছে আধুনিক সমরাস্ত্র। এই দেশীয় উত্পাদন সামরিক সক্ষমতা শুধু বৃদ্ধি করছে না, অর্থনৈতিকভাবে দেশকে স্বনির্ভর করছে এবং ভবিষ্যতের প্রতিরক্ষা কৌশলকে টেকসই করছে।

স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনী সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। যদিও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বাহিনীর গৌরব মাঝেমধ্যে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

পাশাপাশি বাংলাদেশে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং ইনটেলিজেন্স-এ প্রেষণে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা অপরাধ দমনে সক্রিয় ছিলেন, তদুপরি তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে বিতর্কিতও হয়েছে, যা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তিন বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এখন বিশ্বের বৃহত্তম শান্তিরক্ষী বাহিনীর মধ্যে অন্যতম। আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে তারা শুধু নিরাপত্তা প্রদান করেন না, বরং মানবিক সহায়তা, শিক্ষা, পুনর্গঠন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায়ও ভূমিকা রাখেন।

সৈন্যদের প্রশিক্ষণ কেবল কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের প্রতি অনুগত্য, নৈতিক দায়বদ্ধতা, সততা ও মানবিক দায়িত্বের উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেনাদের মধ্যে দেশপ্রেমের বোধ শক্তিশালী করা হয়, যাতে তারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্বকে শুধু কর্তব্য হিসেবে নয়, বরং নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত মনে করে।

সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও নৈতিক মানের উন্নয়ন কেবল দেশের মানুষকেই প্রাধান্য দেয় না; এটি বাহিনীর নিরপেক্ষতা, দায়িত্ববোধ এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আধুনিক প্রশিক্ষণ, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার তাদের কেবল শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে নয়, বরং নৈতিকভাবে দায়িত্বশীল সৈন্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা, সীমান্ত ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা—এসবই তাদের নৈতিক শিক্ষা ও দায়িত্ববোধকে দৃঢ় করে।

এককথায়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নৈতিক মান, দেশপ্রেম, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং দায়িত্ববোধ একত্র হয়ে তাকে কেবল শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে নয়, দেশের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ, নৈতিক এবং বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। নৈতিক ও দায়িত্বপূর্ণ আচরণ, দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে সশস্ত্র বাহিনী দিবস সাধারণ মানুষ ও সৈন্যদের মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রেও অনুপ্রেরণা জোগাবে। দিবসটি নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, নৈতিক দায়িত্ব এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা দেয়। আধুনিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত প্রস্তুতির মাধ্যমে এক শক্তিশালী, দক্ষ ও বিশ্বমানের সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার গুরুত্বও সৈন্যরা উপলব্ধি করে।

পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দেশের নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদার প্রধান স্তম্ভ। সশস্ত্র বাহিনী দিবস কেবল অতীতের অর্জন স্মরণ করানো নয়; এটি নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার শিক্ষা দেয়। আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি দক্ষ, নৈতিক ও শক্তিশালী বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব, যা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সমাজের স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক মর্যাদা নিশ্চিত করবে—এটাই হোক প্রতি বছরের মতো এবারের সশস্ত্র বাহিনী দিবসের শিক্ষা।

ট্যাগস: জাতির প্রহরীদৈনিক মূলধারাবাংলাদেশ নৌবাহিনীবাংলাদেশ বিমানবাহিনীবাংলাদেশ সেনাবাহিনীসশস্ত্র বাহিনী দিবসসেনাবাহিনী
আগের নিউজ

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে কোথায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ?

পরের নিউজ

দেশ গঠনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান

Muldhara

Muldhara

পরের নিউজ
দেশ গঠনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান

দেশ গঠনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • আলোচিত
  • কমেন্টস
  • সর্বশেষ
যশোরে দিনেদুপুরে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

যশোরে দিনেদুপুরে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

February 20, 2025
সিএণ্ডএফের `লীগ-আসাদের’ দালালি-দুর্নীতি

সিএণ্ডএফের `লীগ-আসাদের’ দালালি-দুর্নীতি

December 14, 2025
রুয়াপ নির্বাচন স্থগিত, কবে হবে ভোট?

রুয়াপ নির্বাচন স্থগিত, কবে হবে ভোট?

October 17, 2025
সরকার গ্রুপ মাতালো টেবিল টেনিসে

সরকার গ্রুপ মাতালো টেবিল টেনিসে

December 17, 2025
ইতিহাস গড়তে ভোট দিচ্ছেন মার্কিনরা

ইতিহাস গড়তে ভোট দিচ্ছেন মার্কিনরা

0
পুলিশি অভিযানে গতি এসেছে

পুলিশি অভিযানে গতি এসেছে

0
জয়ের পথে ট্রাম্প!

জয়ের পথে ট্রাম্প!

0
জলবায়ু পরিবর্তন: ভবিষ্যৎ এবং করণীয়

জলবায়ু পরিবর্তন: ভবিষ্যৎ এবং করণীয়

0
বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

October 14, 2026
বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

October 5, 2026
বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

October 1, 2026
রাজনীতিতে ‘আত্মজিজ্ঞাসা’ কেন প্রয়োজন

এত শিশু কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে?

September 27, 2026

সাম্প্রতিক খবর

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

October 14, 2026
বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

October 5, 2026
বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

October 1, 2026
রাজনীতিতে ‘আত্মজিজ্ঞাসা’ কেন প্রয়োজন

এত শিশু কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে?

September 27, 2026
Facebook Twitter Youtube RSS
muldhara logo

Daily Muldhara - Reliable Source for News & Opinion.

আমাদের সাথে থাকুন

গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ

  • News Special
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আইন-আদালত
  • আন্তর্জাতিক
  • উপসম্পাদকীয়
  • কৃষিজ
  • ক্রাইম
  • খেলাধুলা
  • চিঠিপত্র
  • জাতীয়
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • ধর্মকর্ম
  • পরিবেশ
  • পাঠকের অভিমত
  • প্রজন্মের চোখ
  • ফিচার
  • বাণিজ্য
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • শিক্ষা
  • সংগঠন
  • সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • সম্পাদকীয়
  • সম্পাদকীয়
  • সর্বশেষ
  • সারাদেশ
  • সাহিত্য
  • সাহিত্যাঙ্গন
  • স্বাস্থ্য

ঠিকানা

H-G/44, Block-G, Road: E/1, Eastern Housing, 2nd Phase, Rupnagar, Dhaka-1216, Bangladesh.

© 2025-2026 দৈনিক মূলধারা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য

© 2025-2026 দৈনিক মূলধারা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত