Wednesday, 21 October 2026
  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • গোপনীয়তার নীতি
  • যোগাযোগ
  • লগইন
  • রেজিস্টার
Muldhara - Bangla Daily
Advertisement
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
Muldhara - Bangla Daily
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
প্রচ্ছদ মতামত উপসম্পাদকীয়

রাজনীতি, শুল্কনীতি ও বাণিজ্য কূটনীতি

এস এম রায়হান মিয়া

Muldhara পোস্ট করেছেন Muldhara
November 14, 2025
মধ্যে উপসম্পাদকীয়
0
রাজনীতি, শুল্কনীতি ও বাণিজ্য কূটনীতি

দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাতটি আজ এক গভীর সংকটে, যার উত্স কেবল অর্থনৈতিক নয়—রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং কাঠামোগত ব্যর্থতাও এর পেছনে সমানভাবে দায়ী। গ্রাফিকস : সোহেল আশরাফ

0
শেয়ার
9
দেখেছেন
Share on FacebookShare on Twitter

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি যদি কোনো খাতকে বলা যায়, তবে সেটি নিঃসন্দেহে তৈরি পোশাকশিল্প। এই খাতই আমাদের রপ্তানির প্রধান উত্স, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মূল ভিত্তি এবং নারী শ্রমশক্তির অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র। কিন্তু সময়ের প্রবাহে আজ এই খাত এমন এক ক্রান্তিকালে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে বৈশ্বিক রাজনীতি, আন্তর্জাতিক শুল্কনীতি, প্রযুক্তির বিবর্তন এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মিলে এক অদ্ভুত অনিশ্চিত বাস্তবতা সৃষ্টি করেছে।

দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাতটি আজ এক গভীর সংকটে, যার উত্স কেবল অর্থনৈতিক নয়—রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং কাঠামোগত ব্যর্থতাও এর পেছনে সমানভাবে দায়ী। একসময় বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প বিশ্বে এক অনন্য সফলতার উদাহরণ ছিল। কম মজুরি, প্রাচুর্য শ্রমশক্তি এবং ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে শুল্ক সুবিধা—এই তিনটি উপাদান মিলে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক পোশাক সরবরাহ শৃঙ্খলে এক অপরিহার্য অংশে পরিণত করেছিল। কিন্তু গত এক দশকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যনীতি ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা আমূল বদলে গেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক-জাতীয়তাবাদ, চীন-আমেরিকা বাণিজ্যযুদ্ধ, কোভিড-পরবর্তী সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্গঠন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন ট্যাক্স এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পোশাক খাতের ওপর নেমে এসেছে এক জটিল চাপের বলয়।

‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি পুনরায় উচ্চহারে শুল্ক আরোপের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাণিজ্যকে ঝাঁকুনি দিয়েছে। চীন এই শুল্কনীতির প্রধান লক্ষ্যবস্তু হলেও এর পরোক্ষ অভিঘাত পড়েছে বিশ্বের প্রায় সব দেশের ওপর। ভিয়েতনাম, ভারত, কম্বোডিয়া এমনকি মেক্সিকোর মতো দেশগুলো এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের রপ্তানি বৃদ্ধি করেছে। তারা দ্রুত কৌশল পরিবর্তন করে আমেরিকার বাজারে নিজেদের উপস্থিতি জোরদার করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এমন কোনো প্রস্তুতি দেখা যায়নি। সরকার কিংবা রপ্তানিকারক সংগঠন কেউই কূটনৈতিক বাণিজ্য-কৌশল প্রয়োগ করতে পারেনি, যা নতুন সুযোগকে বাস্তব সাফল্যে রূপ দিতে পারত। বাংলাদেশের প্রস্তুতির অভাব ছিল বহুমাত্রিক।

প্রথমত, সরকারি পর্যায়ে বাণিজ্য কূটনীতির কোনো সুসংগঠিত কাঠামো নেই। আমাদের দূতাবাসগুলো এখনো পুরোনো আমলাতান্ত্রিক কাঠামোয় আবদ্ধ, যেখানে অর্থনৈতিক কূটনীতি কার্যত অনুপস্থিত।

দ্বিতীয়ত, ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের পক্ষে লবিং বা থিংকট্যাংক কার্যক্রম পরিচালনার মতো প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা অর্জন করেননি। ফলে, বৈশ্বিক শুল্ক নীতির পরিবর্তনে বাংলাদেশ ছিল একপ্রকার দর্শকের ভূমিকায়।

তৃতীয়ত, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন ও প্রশাসনিক অচলাবস্থা ব্যবসায়ী আস্থা নষ্ট করেছে। রপ্তানিকারকরা জানে না আগামী সপ্তাহে নীতিমালা পরিবর্তন হবে কি না—এই অনিশ্চয়তা দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক পরিকল্পনাকে অসম্ভব করে তুলেছে। অর্থনীতির একটি মৌলিক সত্য হলো—সংকটই নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে। অর্থনীতিবিদ জোসেফ শুম্পেটারের ভাষায়, ‘Creative destruction is the essence of capitalism.’ অর্থাত্ ধ্বংসের মধ্যেই নতুন সৃষ্টির সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে প্রয়োজন প্রস্তুতি, দূরদৃষ্টি এবং কৌশলগত পরিকল্পনা। বাংলাদেশের পোশাক খাত সেই তিনটিরই ঘাটতিতে ভুগছে। চীন-আমেরিকার শুল্কযুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিপুল শূন্যতা তৈরি হয়েছিল—যা ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া দক্ষতার সঙ্গে পূরণ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ সেই সুযোগ হারিয়েছে মূলত নীতি অদক্ষতার কারণে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প এখন এক দ্বিমুখী চাপের মধ্যে রয়েছে—একদিকে বাইরের বাজারের মন্দা ও ক্রেতার সংকোচন, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও উত্পাদন খরচের বৃদ্ধি। বিদ্যুত্ ঘাটতি, গ্যাস-সংকট, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও মুদ্রার অবমূল্যায়ন মিলিয়ে উত্পাদন খরচ বেড়ে গেছে প্রায় ১৮ শতাংশ। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রেতারা সেই বাড়তি খরচ মেনে নিতে রাজি নয়। ফলে মুনাফার মার্জিন ক্রমাগত কমে যাচ্ছে। অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়েছেন। এ অবস্থায় শিল্প-মালিকরা যেমন হতাশ, শ্রমিকরাও তেমনি অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—একবার কোনো ক্রেতা অন্য দেশে অর্ডার স্থানান্তর করলে তা পুনরুদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিশ্বাসই সবচেয়ে বড় সম্পদ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, শ্রম অশান্তি এবং বন্দরব্যবস্থার দুর্বলতা এই বিশ্বাসের ভিত্তি নষ্ট করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ক্রেতারা এখন ভিয়েতনাম, ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মতো স্থিতিশীল বাজারে ঝুঁকছেন। অথচ এই দেশগুলো একসময় বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বীই ছিল। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও পোশাকশিল্পের সংকটকে গভীরতর করেছে। সরকারের পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক কাঠামোতে যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, তাতে ব্যবসায়ী সমাজ আস্থা হারিয়েছে।

বিনিয়োগকারীরা জানেন না নতুন নীতি কবে আসবে, কর কাঠামো কী হবে, বা আমলাতন্ত্র কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে। রাজনীতি যখন স্থিতিশীল থাকে না, তখন অর্থনীতি কখনোই নিরাপদ থাকতে পারে না। বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় শর্ত হলো পূর্বাভাসযোগ্যতা—যা এখন আর বাংলাদেশে নেই। ভিয়েতনাম এই জায়গায় এক অনন্য উদাহরণ। গত দশকে দেশটি নিজেকে ‘কৌশলগত উত্পাদন কেন্দ্র’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করেছে। এই কূটনৈতিক সক্রিয়তা তাদের রপ্তানিকে বহুগুণে বাড়িয়েছে। কম্বোডিয়াও Preferential Trade Access নীতির সুফল পেয়েছে। ভারত ‘Production Linked Incentive’ (PLI) কর্মসূচির মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর পোশাকশিল্প গড়ে তুলছে। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো একই জায়গায় স্থবির—শ্রমনির্ভর, কম মজুরিনির্ভর এবং অদক্ষ ব্যবস্থাপনায় আবদ্ধ।

আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো—প্রযুক্তি ও অটোমেশন। বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে। রোবোটিক সেলাই, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনা ক্রমেই পোশাক উত্পাদনকে শ্রমনির্ভরতা থেকে মুক্ত করছে। ফলে সস্তা শ্রম আর একমাত্র প্রতিযোগিতার উপাদান নয়। বাংলাদেশের পোশাক খাত এখনো যান্ত্রিক ও ম্যানুয়াল উত্পাদন ব্যবস্থায় আটকে আছে। দক্ষ মানবসম্পদের অভাব এবং প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ না থাকার কারণে আমরা বিশ্ববাজারে পিছিয়ে পড়ছি। পরিবেশগত মানদণ্ড এখন রপ্তানির প্রধান শর্ত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতিমধ্যে Carbon Border Adjustment Mechanism (CBAM) চালু করেছে, যার ফলে উচ্চ কার্বন নির্গমণকারী শিল্পপণ্যগুলোতে অতিরিক্ত কর আরোপ হবে। বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোর বড় অংশ এখনো সবুজ প্রযুক্তি বা পরিবেশবান্ধব উত্পাদনে পুরোপুরি রূপান্তরিত হয়নি। ভবিষ্যতে এটি একটি বড় প্রতিবন্ধকতায় পরিণত হতে পারে। অন্যদিকে, শ্রমিক ইস্যুও দিনদিন জটিল হচ্ছে। একদিকে কম মজুরি নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনা, অন্যদিকে উত্পাদন হ্রাসের ফলে বেকারত্ব বৃদ্ধি—দুই দিকেই চাপ। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত না হলে আন্তর্জাতিক ব্র‍্যান্ডগুলো মানবাধিকারভিত্তিক শর্তে চুক্তি নবায়ন করতে অনীহা দেখাতে পারে।

এসব সংকটের মূল শিকড় রাজনৈতিক। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো শিল্পই দীর্ঘ মেয়াদে টিকে থাকতে পারে না। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলেন, ‘Political fragmentation breeds economic fragilit’—রাজনৈতিক বিভাজন অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সৃষ্টি করে। বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা সেই কথাটিরই প্রতিফলন। ক্ষমতার পালাবদল, দলীয় প্রতিহিংসা ও নীতি অদলবদল বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। কিন্তু এই অন্ধকারের মধ্যেও সম্ভাবনার আলো আছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের ভিত্তি এখনো মজবুত—অগণিত অভিজ্ঞ শ্রমিক, বিশাল উত্পাদন অবকাঠামো, এবং বৈশ্বিক ব্র‍্যান্ডগুলোর দীর্ঘ অভিজ্ঞ সম্পর্ক। এই ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন পথ তৈরি করা সম্ভব। শিল্পনীতি ও বাণিজ্য কূটনীতি একত্রে পুনর্গঠিত করতে হবে। প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ ও শ্রমিক দক্ষতা উন্নয়নে জাতীয় কর্মসূচি নিতে হবে। বৈদেশিক বাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে ব্র‍্যান্ডিং ও পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি বাড়াতে হবে। রাজনৈতিক সমঝোতা ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে—কারণ স্থিতিশীল রাষ্ট্রই বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করে।

অর্থনীতির ভাষায়, ‘Crisis carries within it the seed of opportunity,’ আজকের সংকটও হয়তো আগামীকালের সম্ভাবনার সূচনা। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত যদি এই সংকট থেকে শিক্ষা নেয়, কৌশল পুনর্গঠন করে, এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনে, তবে এই খাত আবারও বৈশ্বিক বাজারে নেতৃত্ব দিতে পারে। আজ প্রয়োজন সাহসী নেতৃত্ব, দূরদৃষ্টি ও নীতির ধারাবাহিকতা। তৈরি পোশাকশিল্প শুধু অর্থনৈতিক খাত নয়, এটি বাংলাদেশের সামাজিক অগ্রগতির প্রতীকও বটে। তাই এই শিল্পের ভবিষ্যত্ অনিশ্চয়তা মানে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ভবিষ্যত্ অনিশ্চয়তা। এখনই সময় পুনর্বিবেচনার, পুনর্গঠনের, এবং সাহসী সিদ্ধান্তের—না হলে এক সময় যে খাত আমাদের গর্বের কারণ ছিল, সেটিই পরিণত হবে আমাদের অর্থনৈতিক হতাশার প্রতীকে।

 লেখক : সিনিয়র শিক্ষক
ট্যাগস: দৈনিক মূলধারাবাণিজ্য কূটনীতিরাজনীতিরাজনীতি-কূটনীতিশুল্কনীতি
আগের নিউজ

এইচআইভি আতঙ্কে দেশ, সচেতনতা জরুরি

পরের নিউজ

ভোমরা-সাতক্ষীরা-নাভারণ রেলপথ?

Muldhara

Muldhara

পরের নিউজ
ভোমরা-সাতক্ষীরা-নাভারণ রেলপথ?

ভোমরা-সাতক্ষীরা-নাভারণ রেলপথ?

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • আলোচিত
  • কমেন্টস
  • সর্বশেষ
যশোরে দিনেদুপুরে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

যশোরে দিনেদুপুরে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

February 20, 2025
সিএণ্ডএফের `লীগ-আসাদের’ দালালি-দুর্নীতি

সিএণ্ডএফের `লীগ-আসাদের’ দালালি-দুর্নীতি

December 14, 2025
রুয়াপ নির্বাচন স্থগিত, কবে হবে ভোট?

রুয়াপ নির্বাচন স্থগিত, কবে হবে ভোট?

October 17, 2025
সরকার গ্রুপ মাতালো টেবিল টেনিসে

সরকার গ্রুপ মাতালো টেবিল টেনিসে

December 17, 2025
ইতিহাস গড়তে ভোট দিচ্ছেন মার্কিনরা

ইতিহাস গড়তে ভোট দিচ্ছেন মার্কিনরা

0
পুলিশি অভিযানে গতি এসেছে

পুলিশি অভিযানে গতি এসেছে

0
জয়ের পথে ট্রাম্প!

জয়ের পথে ট্রাম্প!

0
জলবায়ু পরিবর্তন: ভবিষ্যৎ এবং করণীয়

জলবায়ু পরিবর্তন: ভবিষ্যৎ এবং করণীয়

0
বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

October 14, 2026
বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

October 5, 2026
বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

October 1, 2026
রাজনীতিতে ‘আত্মজিজ্ঞাসা’ কেন প্রয়োজন

এত শিশু কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে?

September 27, 2026

সাম্প্রতিক খবর

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

October 14, 2026
বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

October 5, 2026
বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

October 1, 2026
রাজনীতিতে ‘আত্মজিজ্ঞাসা’ কেন প্রয়োজন

এত শিশু কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে?

September 27, 2026
Facebook Twitter Youtube RSS
muldhara logo

Daily Muldhara - Reliable Source for News & Opinion.

আমাদের সাথে থাকুন

গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ

  • News Special
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আইন-আদালত
  • আন্তর্জাতিক
  • উপসম্পাদকীয়
  • কৃষিজ
  • ক্রাইম
  • খেলাধুলা
  • চিঠিপত্র
  • জাতীয়
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • ধর্মকর্ম
  • পরিবেশ
  • পাঠকের অভিমত
  • প্রজন্মের চোখ
  • ফিচার
  • বাণিজ্য
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • শিক্ষা
  • সংগঠন
  • সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • সম্পাদকীয়
  • সম্পাদকীয়
  • সর্বশেষ
  • সারাদেশ
  • সাহিত্য
  • সাহিত্যাঙ্গন
  • স্বাস্থ্য

ঠিকানা

H-G/44, Block-G, Road: E/1, Eastern Housing, 2nd Phase, Rupnagar, Dhaka-1216, Bangladesh.

© 2025-2026 দৈনিক মূলধারা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য

© 2025-2026 দৈনিক মূলধারা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত