অনেকে মনে করেন, যারা যা খুশি খান তবুও মোটা হন না, তাদের নিশ্চয়ই মেটাবলিজম খুব দ্রুত। কিন্তু বাস্তবতা অনেক সময় ঠিক উলটো। বেশির ভাগ চিকন মানুষের শরীরে পেশির পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে। আর পেশিই হলো সেই টিস্যু, যা বিশ্রাম অবস্থাতেও সবচেয়ে বেশি ক্যালরি পোড়ায়। ফলে যাদের পেশি কম, তাদের বেসাল মেটাবলিক রেট বা বিএমআর সাধারণত কম হয়— মানে তাদের মেটাবলিজম আসলে ধীরগতির।
বিএমআর বলতে বোঝায়, শরীর বিশ্রাম অবস্থায় বেঁচে থাকার জন্য যতটুকু শক্তি খরচ করে। বেশি পেশি মানে বেশি শক্তি খরচ, কম পেশি মানে কম শক্তি খরচ। তাই চিকন মানুষের শরীর বাইরে থেকে ‘ফাস্ট মেটাবলিজম’-এর মতো মনে হলেও ভেতরে ভেতরে তা অনেক সময় ধীর হয়।
তবে এর মানে এই নয় যে, চিকন থাকা মানেই অস্বাস্থ্যকর। শরীরের গঠন, জিনগত বৈশিষ্ট্য, খাবারের ধরন ও দৈনন্দিন চলাফেরা—সবকিছু মিলেই ওজন ও মেটাবলিজম নির্ধারিত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সুস্থ থাকতে শুধু ওজন নয়, শরীরে পেশির পরিমাণ বাড়ানোও জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম ও সুষম খাদ্যই পারে মেটাবলিজমকে স্বাস্থ্যকর রাখতে।













