Friday, 16 October 2026
  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • গোপনীয়তার নীতি
  • যোগাযোগ
  • লগইন
  • রেজিস্টার
Muldhara - Bangla Daily
Advertisement
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
Muldhara - Bangla Daily
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
প্রচ্ছদ মতামত উপসম্পাদকীয়

‘যুক্তরাষ্ট্র’ : এক অভিনব আন্দোলন

এম এ হোসাইন

Muldhara পোস্ট করেছেন Muldhara
October 22, 2025
মধ্যে উপসম্পাদকীয়
0
‘যুক্তরাষ্ট্র’ : এক অভিনব আন্দোলন

তাদের মূল স্লোগান ‘কোনো সিংহাসন নয়। কোনো মুকুট নয়। কোনো রাজা নয়।’ গ্রাফিকস : সোহেল আশরাফ

0
শেয়ার
6
দেখেছেন
Share on FacebookShare on Twitter

যখন লাখ লাখ আমেরিকান নাগরিক রাস্তায় নেমে স্লোগান তোলে— ‘নো কিংস’, তা শুধু একটি প্রতিবাদ নয়, বরং একটি নাগরিক ধর্মোপদেশ। গত ১৮ ও ১৯ অক্টোবর ২০২৫-এ, ২ হাজার ৭০০ শহরে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ একযোগে রাস্তায় নামে। তাদের অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গণতন্ত্রের সীমারেখা অতিক্রম করে এক ধরনের স্বৈরাচারী পথে এগোচ্ছেন। টাইমস স্কয়ার থেকে শুরু করে ন্যাশনাল মল পর্যন্ত, তাদের বার্তা ছিল স্পষ্ট : ‘আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়’ এই প্রজাতন্ত্রের মূল আদর্শ এখনো বেঁচে আছে, যদিও তা কঠিন পরীক্ষার মুখে।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ‘নো কিংস’ আন্দোলন আমেরিকার বিপ্লবী অতীত থেকে নৈতিক অনুপ্রেরণা নিলেও এর লক্ষ্য দলীয় নয়, বরং সর্বজনীন সাংবিধানিক উদ্বেগ। তাদের মূল স্লোগান ‘কোনো সিংহাসন নয়। কোনো মুকুট নয়। কোনো রাজা নয়।’ যা ১৭৭৬ সালের ঐতিহাসিক চেতনা ফিরিয়ে আনে সতর্কবার্তা হিসেবে। তারা যে স্বৈরাচারের আশঙ্কা করছে, তা বন্দুকধারী সৈন্য নয়, বরং প্রতিষ্ঠানগুলোর নীরব ক্ষয়, সীমাহীন নির্বাহী ক্ষমতার স্বাভাবিকীকরণ এবং জনতাবাদের আড়ালে নাগরিক সংযমের বিলুপ্তি।

৭০ লাখ মানুষের একত্রে রাস্তায় নামা ছিল (যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ২ শতাংশ) রাজনৈতিক উদাসীনতার বিরুদ্ধে এক প্রচণ্ড প্রতিবাদ। ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনের পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় জনসমাবেশ, যেখানে ভোটের বাক্সের বাইরেও স্বাধীনতার ভাষা উচ্চারিত হয়েছে। সমাবেশগুলো ছিল শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সংগঠিত। এসিএলইউ, মুভঅন, ইনডিভাইজিব্যল এবং শিক্ষক সংগঠনগুলো লজিস্টিক সহায়তা, যা উত্তেজনা প্রশমনের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল।

যদিও রঙিন পোস্টার, বিশাল ‘উই দ্যা পিপল’ ব্যানার এবং ট্রাম্পের ছবি দিয়ে বেলুনে ভরা উত্সবমুখর পরিবেশ ছিল, তবু এর অন্তরালে ছিল এক গম্ভীর সাংবিধানিক হূদ্স্পন্দন। অংশগ্রহণকারীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গোপন আটক, রাজ্য সরকারের ওপর ফেডারেল হস্তক্ষেপ, শহরের সামরিকীকরণ, স্বাস্থ্যসেবায় কাটছাঁট এবং দলীয় জটের কারণে চলমান প্রশাসনিক অচলাবস্থা নিয়ে।

এই আন্দোলনের বিশেষত্ব ছিল এর পরিসর নয়, বরং এর আদর্শিক কাঠামো। বিক্ষোভকারীরা পরিচিত রাজনীতি বা বিচ্ছিন্ন নীতিগত অভিযোগকে কেন্দ্র করে জড়ো হয়নি; তারা জমায়েত হয়েছিলেন সাংবিধানিক ভারসাম্যের নীতিকে ঘিরে। এই আন্দোলন ঘিরে পরিবর্তনটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি ইঙ্গিত দেয় যে আমেরিকার সাংস্কৃতিক বামপন্থি শক্তি, দীর্ঘকাল যারা সামাজিক ন্যায়বিচার ও পরিবেশগত উদ্যোগে ব্যস্ত ছিল, তারা পুনরাবিষ্কার করেছে ধ্রুপদি উদারনীতির ভাষা :আইনের শাসন, ক্ষমতার বিভাজন এবং নির্বাহী কর্তৃত্বের সীমাবিষয়ক।

ভার্জিনিয়ার এক প্রবীণ সৈনিকের ভাষায়, ‘আমি লড়েছি এক প্রজাতন্ত্রের জন্য, কোনো রাজবংশের জন্য নয়।’ এই বার্তা মতাদর্শের সীমাকে ছাড়িয়ে যায়। ‘নো কিংস’ তাই ডান-বাম উভয় শিবিরের মানুষকে আমন্ত্রণ জানায়, যারা ব্যক্তিপূজার চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সততা রক্ষায় বিশ্বাসী।

আরো তাত্পর্যপূর্ণ হলো, সবচেয়ে নাটকীয় প্রতিক্রিয়াটি এসেছিল রাস্তা থেকে নয়, বরং ওভাল অফিস থেকে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি এআই-তৈরি ভিডিওর মাধ্যমে এই আন্দোলনকে উপহাস করেন, যাতে তাকে একটি মুকুট পরা অবস্থায় বিক্ষোভকারীদের ওপরে একটি যুদ্ধবিমান চালাতে দেখা যায়।  যা ছিল তার দাম্ভিকতা ও বিদ্রুপের স্বভাবসিদ্ধ মিশ্রণ। তার উদ্দেশ্য ছিল— ‘আমি রাজা নই’— এই অভিযোগ নিরসন করা, কিন্তু বিক্ষোভকারীদের এই ধারণাকেই শক্তিশালী করেছিল যে, তিনি এই তুলনায় মনে মনে খুশি হয়েছেন।

প্রশাসন ও রিপাবলিকান শিবিরের প্রতিক্রিয়া ছিল প্রত্যাশিত। টেক্সাস ও ভার্জিনিয়া ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করে; হাউস স্পিকার মাইক জনসন এসব সমাবেশকে ‘ঘৃণার রাজনীতি’ বলে অভিহিত করেন। ট্রাম্পপন্থিরা ‘আইন ও শৃঙ্খলা’র দোহাই দিয়ে প্রতিবাদকে বিশৃঙ্খলার প্রতীক হিসেবে চিত্রিত করে। অথচ এই জনতা ছিল শান্ত, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও বহু-প্রজন্মের। এই জনতা বিশৃঙ্খলা নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রাণশক্তির মূর্ত প্রতীক ছিল।

তবে সমালোচকদের প্রশ্ন যুক্তিযুক্ত—শুধু প্রতিবাদই কি গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে পারে? আগের অভিজ্ঞতা; যেমন : ২০১৭ সালের ‘মার্চ ফর ওমেন’ বা ২০২০ সালের ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’, হূদয় নাড়ালেও নীতি পরিবর্তনে সীমিত প্রভাব ফেলেছিল। ‘নো কিংস’ সংগঠকেরা তা জানেন। তাদের পরিকল্পনা হলো— প্রতিষ্ঠানগত ক্ষয়কে দৃশ্যমান করা এবং ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত ভোটারদের মধ্যে এই চেতনার সক্রিয়তা জাগিয়ে রাখা।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ইতিমধ্যেই দৃশ্যমান। ডেমোক্র্যাটরা ‘গণতন্ত্র রক্ষা’কে নির্বাচনি ভাষার অংশ করেছে। চাক শুমার ও পিট আগুইলার আন্দোলনের চেতনায় সমর্থন জানিয়ে ভোটাধিকারের প্রসার ও নির্বাহী জবাবদিহি জোরদারের আহ্বান জানান। তবে এক দ্বিধা রয়ে গেছে, ‘নো কিংস’ যেমন ডেমোক্র্যাট ভোটারদের উজ্জীবিত করছে, তেমনি ট্রাম্পের বিরোধিতাকে রিপাবলিকান ঘাঁটি আরো দৃঢ় করছে।

রিপাবলিকানদের কৌশল আরো সরল কিন্তু তেমনি হিসেবি প্রতিবাদকে ‘চরমপন্থীি’ বলে চিহ্নিত করে তারা ‘বাস্তব আমেরিকা বনাম অভিজাত শহুরে এলিট’-এর আখ্যান জোরদার করছে। মেরুকরণই ট্রাম্পবাদের অক্সিজেন; প্রতিটি মিছিল, প্রতিটি স্লোগান তার সমর্থকদের চোখে নতুন প্রমাণ হয়ে ওঠে যে প্রতিষ্ঠান ও মিডিয়া তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

‘নো কিংস’-এর সত্যিকারের পরীক্ষা এখনো বাকি। যদি এটি কেবল এক নৈতিক প্রদর্শনী হয়, তবে তা ইতিহাসে আরেকটি ব্যর্থ প্রতিবাদের অধ্যায় হবে। কিন্তু যদি এটি রাজনৈতিক সংগঠনে রূপ নেয় ভোট, নাগরিক অংশগ্রহণ ও স্থানীয় সংগঠনের মাধ্যমে, তবে এটি ২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।

এখনই আমেরিকার রাজনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে না, তবে ক্ষয়ে যাচ্ছে অভ্যুত্থান বা ট্যাংকের মাধ্যমে নয়, বরং অবিশ্বাস, ক্লান্তি ও আইনের বদলে আনুগত্যের সংস্কৃতির মাধ্যমে। এমন বাস্তবতায়, লাখো মানুষকে সংবিধানের নীতির পক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় নামতে দেখা আশাব্যঞ্জক। এটি প্রমাণ করে— জনতাবাদের কোলাহলের মধ্যেও আমেরিকার নাগরিক প্রতিরোধক্ষমতা এখনো টিকে আছে।

তবে গণতন্ত্র টিকে থাকার জন্য শুধু প্রতিবাদ নয়, প্রয়োজন বুদ্ধিদীপ্ত নাগরিক অংশগ্রহণ। যে নাগরিকরা উচ্ছ্বাসকে প্রজ্ঞায় রূপান্তর করতে পারে, যারা জানে—প্রতিষ্ঠান রক্ষা মানে তাদের ভেতরেই কাজ করা— তারাই প্রকৃত গণতন্ত্রের প্রহরী। ‘নো কিংস’ কেবল একটি স্লোগান নয়; এটি এক চিরন্তন সত্যের পুনঃস্মরণ— স্বাধীনতা শুধু স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ নয়, বরং ক্ষমতার সীমা মেনে চলার অনুশাসন।

অক্টোবরের এক সপ্তাহান্তে আমেরিকা সেই সত্যটি আবার স্মরণ করল। এখন প্রশ্ন— তারা কি এই স্মৃতি টিকিয়ে রাখতে পারবে? নির্বাচনের মাধ্যমে? আইন প্রণয়নের মাধ্যমে? নাগরিক পুনর্জাগরণের মাধ্যমে? ইতিহাসের পাতায় এই আন্দোলন কি শুধুই এক অধ্যায় হয়ে থাকবে, নাকি এক নতুন ভিত্তি রচনা করবে, ফলে সেই উত্তরই নির্ধারণ করবে আমেরিকার গণতন্ত্রের ভবিষ্যত্। আমেরিকার মহিমা কখনো তার নেতাদের তৈরির মধ্যে ছিল না; বরং তাদের রাজা বানাতে অস্বীকৃতির মধ্যেই ছিল।

লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
(এই লেখা লেখকের একান্ত ব্যক্তিগত অভিমত; এ সংক্রান্ত কোনো দায় দৈনিক মূলধারা বহন করবে না)
ট্যাগস: আন্দোলনআমেরিকাদৈনিক মূলধারামার্কিন যুক্তরাষ্ট্রমার্কিন রাজনীতিমেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন—মাগা
আগের নিউজ

অ্যানথ্রাক্স : আতঙ্ক, সচেতনতা ও ব্যবস্থাপনা

পরের নিউজ

বিটিভির সংবাদ নিয়ে কিছু কথা!

Muldhara

Muldhara

পরের নিউজ
বিটিভির সংবাদ নিয়ে কিছু কথা!

বিটিভির সংবাদ নিয়ে কিছু কথা!

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • আলোচিত
  • কমেন্টস
  • সর্বশেষ
যশোরে দিনেদুপুরে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

যশোরে দিনেদুপুরে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

February 20, 2025
সিএণ্ডএফের `লীগ-আসাদের’ দালালি-দুর্নীতি

সিএণ্ডএফের `লীগ-আসাদের’ দালালি-দুর্নীতি

December 14, 2025
রুয়াপ নির্বাচন স্থগিত, কবে হবে ভোট?

রুয়াপ নির্বাচন স্থগিত, কবে হবে ভোট?

October 17, 2025
সরকার গ্রুপ মাতালো টেবিল টেনিসে

সরকার গ্রুপ মাতালো টেবিল টেনিসে

December 17, 2025
ইতিহাস গড়তে ভোট দিচ্ছেন মার্কিনরা

ইতিহাস গড়তে ভোট দিচ্ছেন মার্কিনরা

0
পুলিশি অভিযানে গতি এসেছে

পুলিশি অভিযানে গতি এসেছে

0
জয়ের পথে ট্রাম্প!

জয়ের পথে ট্রাম্প!

0
জলবায়ু পরিবর্তন: ভবিষ্যৎ এবং করণীয়

জলবায়ু পরিবর্তন: ভবিষ্যৎ এবং করণীয়

0
বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

October 14, 2026
বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

October 5, 2026
বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

October 1, 2026
রাজনীতিতে ‘আত্মজিজ্ঞাসা’ কেন প্রয়োজন

এত শিশু কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে?

September 27, 2026

সাম্প্রতিক খবর

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

October 14, 2026
বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

October 5, 2026
বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

October 1, 2026
রাজনীতিতে ‘আত্মজিজ্ঞাসা’ কেন প্রয়োজন

এত শিশু কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে?

September 27, 2026
Facebook Twitter Youtube RSS
muldhara logo

Daily Muldhara - Reliable Source for News & Opinion.

আমাদের সাথে থাকুন

গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ

  • News Special
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আইন-আদালত
  • আন্তর্জাতিক
  • উপসম্পাদকীয়
  • কৃষিজ
  • ক্রাইম
  • খেলাধুলা
  • চিঠিপত্র
  • জাতীয়
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • ধর্মকর্ম
  • পরিবেশ
  • পাঠকের অভিমত
  • প্রজন্মের চোখ
  • ফিচার
  • বাণিজ্য
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • শিক্ষা
  • সংগঠন
  • সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • সম্পাদকীয়
  • সম্পাদকীয়
  • সর্বশেষ
  • সারাদেশ
  • সাহিত্য
  • সাহিত্যাঙ্গন
  • স্বাস্থ্য

ঠিকানা

H-G/44, Block-G, Road: E/1, Eastern Housing, 2nd Phase, Rupnagar, Dhaka-1216, Bangladesh.

© 2025-2026 দৈনিক মূলধারা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য

© 2025-2026 দৈনিক মূলধারা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত