একটা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দায় চাপিয়ে নিজের অসতর্কতাকে ঢেকে রাখা আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। যানজটে পড়লে দোষারোপ করি ট্রাফিকপুলিশকে, কিন্তু ফুটপাতে মোটরসাইকেল নিয়ে তাড়াহুড়ো করে আরো তীব্রতর জট তৈরি করতেও কার্পণ্য করি না। ফুটওভারব্রিজ থাকা অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে রাস্তা পার হই, যা সড়ক দুর্ঘটনায় ফেলতে পারে, এরপর পথচারী এবং ড্রাইভার উভয়কেই দোষ চাপিয়ে দুর্ঘটনা ইস্যু শেষ হয়ে যায়। রাস্তার পাশে একেবারে নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে মুখরোচক, তৈলাক্ত এবং বিষাক্ত খাবার, যা খেয়ে দীর্ঘমেয়াদি রোগের বাসা বাঁধছে শরীরে।
এসব খাবারের বড় সংখ্যক ক্রেতা হচ্ছে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, যাদের উচিত ছিল নিজেদের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যদের এ বিষয়ে সচেতন করা—যার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হতো, কিন্তু উলটো হচ্ছে বিষয়টি। শরীরে রোগ-জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়ার কারণ শুধু তারাই নয় সঙ্গে আমরাও দায়ী। আমাদের জ্ঞানচক্ষু আমাদেরই খুলতে হবে। আমাদের সমাজের অসংগতি দূর করতে হবে আমাদেরকেই।
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।













