চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ছাত্রদলের এক নেতার জীবনযাপন ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আনিসুর রহমান আনিস নামে ঐ নেতা বর্তমানে একটি ছোট চা-পানের দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন, যাকে অনেকে ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
জানা গেছে, আনিসুর রহমান আনিস চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উচ্চশিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও তিনি সাধারণ জীবনযাপন বেছে নিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, দল ক্ষমতায় থাকলেও তিনি কোনো ধরনের প্রভাব বা সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগাননি; বরং নিজ প্রচেষ্টায় জীবিকা নির্বাহ করছেন।
রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময় তিনি নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বলে জানা যায়। দলীয় সূত্রের দাবি, অতীতে তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেছেন এবং হামলার মুখোমুখি হয়েছেন। বর্তমানে দল ক্ষমতায়, কিন্তু জীবিকা নির্বাহে কোনো ধরনের অন্যায়-অপকর্মে জড়ানোর পথে হাঁটেননি আনিস; বিচ্যুত হননি রাজনৈতিক আদর্শ থেকে। বরং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দলীয় প্রতিটি কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অনেকের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এলেও আনিসুর রহমান আনিস সরল ও সৎ পথেই থাকাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। তাদের মতে, আনিসের এই জীবনযাপন রাজনীতিতে সততা ও আদর্শের একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আনিসুর রহমান আনিস পরিবারের একমাত্র উপর্জনক্ষম ব্যক্তি। বৃদ্ধ পিতামিতা নিয়ে তিনি কোনো রকমে দিনাতিপাত করছেন। তবে দল ক্ষমতায় থাকার পরও স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি ক্লিন ইমেজ ধরে রেখেছেন। আনিসের মতো পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতারা সমাজের জন্য অনুকরণীয় বলে মনে করেন সচেতন মহল।
উল্লেখ্য, আনিসের সংগ্রামী জীবনের গল্প নিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের একটি ফেইসবুক পেজ থেকে পোস্ট দেওয়া হলে ঐ পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং তাতে রাজনীতি-সচেতন ব্যক্তিবর্গ আনিসের পক্ষে সরব আওয়াজ তোলেন। বিষয়টি বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।













