রাজধানীতে অটোরিক্সা ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য আটক হয়েছেন। ঢাকা অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল-মামুনের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সহকারী পুলিশ সুপার সাঈদ ইবনে রেজার নেতৃত্বে গতকাল তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন চাঁদপুর থানা সদরের জামাল উদ্দিন কাজীর ছেলে সোবাহান এবং ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার মতিয়ার সরদারের ছেলে নাঈম সরদার।
সোবহানকে প্রথমে ঢাকা মহানগরীর আশকোনা হাজী ক্যাম্পের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যদিকে, পল্লবী থানাধীন কালাপানি বস্তি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয় নাঈম সরদারকে। গ্রেফতারকৃত নাঈম সরদার ইতোপূর্বে ডিএমপির উত্তরা পূর্ব ও পল্লবী থানায় একাধিক মাদক ও অনুরূপ মামলায় চার্জশীটে অভিযুক্ত।
পুলিশের বরাতে জানা যায়, হুমায়ুন কবীর নামে এক ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা চালক গত ২৮ অক্টোবর ধামারাই থেকে নিখোঁজ হন। বাসায় ফেরত না যাওয়ায় শুরু হয় খোঁজা-খুঁজি। পরের দিন ধামরাই থানায় হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী গোলাপী বেগম বাদী হয়ে সাধারণ ডাইরী করেন।
উক্ত ঘটনায় ২ নভেম্বর সাধারণ ডাইরীর তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাপী বেগমের মোবাইল ফোনে জানান যে, সাভার মডেল থানাধীন সাভার নামাবাজার বাঁশপট্টি বংশী নদীর পূর্বপাড়ে পানির উপর ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতনামা লাশ পাওয়া গেছে। এরপর গোলাপী বেগম আত্মীয়-স্বজনসহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে হুমায়ুন কবীরের লাশ সনাক্ত করেন।
উক্ত ঘটনায় মৃতের ভাই মোশারফ হোসেন বাদী হলে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রেফতার হন আসামীরা।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন বলেন, এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা। এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। এর পেছনে কাজ করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।
উক্ত ঘটনার বিষয়ে পুলিশ সুপার জানান, দুই জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারপূর্বক ছিনতাইকৃত অটোরিক্সা উদ্ধারে নৌ পুলিশ আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।













