অটিজম সচেতনতা মানে শুধু একটি বিশেষ দিন পালন করা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনে এই বিশেষ মানুষগুলোর পাশে থাকার অঙ্গীকার। অটিজম কোনো রোগ নয়; এটি মস্তিষ্কের এক ভিন্নধর্মী বিকাশ। এটি বোঝা এবং বোঝানোর মাধ্যমে সচেতনতা গড়ে তোলাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সমাজের অজ্ঞতা আর ভুল ধারণাই অটিস্টিক শিশুদের বিকাশের পথে সবচেয়ে বড় বাধা। সঠিক শিক্ষা, থেরাপি আর পারিবারিক ও সামাজিক ভালোবাসা পেলে এই শিশুরাও হয়ে উঠতে পারে আগামীর অনুপ্রেরণা। তাই প্রয়োজন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক সমাজ গড়ার সদিচ্ছা। অটিজমসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে এমন ভাবনা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. তায়ীম খান
স্নায়ু-বৈচিত্র্য : ব্যাধি নয়, বরং অনন্য বৈশিষ্ট্য
মো. ইমন হোসেন
২রা এপ্রিল ২০২৬, বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। প্রতি বছরই দিবসটিতে কোনো একটি বিষয়বস্তুকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। ২০২৬ সালে প্রতিপাদ্য হলো— “অংশগ্রহণমূলক সমাজ ও কর্মসংস্থান: স্নায়ু-বৈচিত্র্যের নতুন দিগন্ত”; যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, অটিস্টিক শিশুরা সমাজের বোঝা নয়। অর্থাৎ, অটিজম কোনো ব্যাধি নয়; বরং এটি মস্তিষ্কের এক বিশেষ গঠনগত ভিন্নতা বা ‘স্নায়ু-বিকাশজনিত বৈচিত্র্য’ (Neuro-diversity)। যেমন, অটিস্টিক ব্যক্তিদের মস্তিষ্কের স্নায়বিক সংযোগ সাধারণের চেয়ে ভিন্ন হওয়ার কারণে তারা বিশেষ কিছু কাজে (যেমন: গাণিতিক সমস্যা সমাধান, কোডিং বা শিল্পকলা) অতি দক্ষ হতে পারে। তাদের এই দক্ষতাকে কাজে লাগানোই বর্তমান সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ।
বাংলাদেশে ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩’ এবং ‘নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন, ২০১৩’ অটিস্টিক ব্যক্তিদের জন্য আইনি ঢাল। এ ধরনের আইনে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের যে সুনির্দিষ্ট দায়-দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে, তার বাস্তবায়নই এই ‘স্নায়ু-বিকাশজনিত বৈচিত্র্য’ (Neuro-diversity)-কে সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারায় গ্রহণ এবং সবার মতো সমান দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ তৈরি করতে পারে।
অন্যথায়, প্রতিবছরের মতো আজও সরকারি-বেসরকারি ভবনগুলো নীল আলোয় আলোকিত হবে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়— এই নীল আলোর আভা কি সারা বছর অটিস্টিক ব্যক্তিদের জীবনে পৌঁছায়? নাকি আমরা কেবল ক্যালেন্ডারের একটি দিনকেই আমাদের সামাজিক দায়মুক্তির উপায় হিসেবে বেছে নিয়েছি?
আমাদের অঙ্গীকার হোক, এমন এক বাংলাদেশ গড়া, যেখানে কোনো অটিস্টিক শিশুকে তার সীমাবদ্ধতার জন্য ঘরে বন্দি থাকতে হবে না; বরং সে তার স্নায়ু-বৈচিত্র্যের শক্তি দিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।
লেখক : তরুণ কলামিস্ট ও আইনের শিক্ষার্থী, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
অটিজম সচেতনতা দিবস হোক সচেতনতা আর অঙ্গীকারবদ্ধতার মূলমন্ত্র
আরাফাত আলম
শিশিরভেজা নীলিমার সেই ধূসর চাদর সরিয়ে যখন ভোরের প্রথম আলো পৃথিবীর জানালায় উঁকি দেয়, তখনই ক্যালেন্ডারের পাতা স্মরণ করিয়ে দেয়— ২ এপ্রিল, বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। এটি একটি বিশেষ দিন, যে দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেই শিশুদের কথা, যারা আমাদের এই চেনা পৃথিবীর ভিড়ে এক অজানা ‘কাঁচের পর্দা-আচ্ছাদিত ঘরে’ বাস করে।
এটি অসুখ নয়; বরং এটি একটি ভিন্নভাবে তৈরি হওয়া হৃদয়ের স্পন্দন। প্রতিটি অটিস্টিক শিশু যেন এক একটি নীল পদ্ম, যারা ফুটে থাকে নিজস্ব এক সরোবরে। আমরা যে সমাজকে ‘স্বাভাবিক’ বলি, তারা হয়তো সেই ব্যাকরণের সঙ্গে ভিন্ন পথ খুঁজে নেয়। তাদের চোখের কোণে এক গভীর বিষাদমেশানো কৌতূহল থাকে, যা হয়তো আমাদের প্রচলিত শব্দের ভাষায় ধরা দেয় না। হয়তো মানুষের চোখে চোখ রেখে কথা বলা এড়াতেই পছন্দ করে, কিংবা একই কাজের চেনা বৃত্তে বারবার ঘুরপাক খায়। কিন্তু এই ভিন্নতার নাম তো অভিশাপ নয়; এই ভিন্নতার নাম এক অলৌকিক বৈচিত্র্য।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই দিনটি এক বড় আশার প্রদীপ। একই সঙ্গে এই দিন হোক ‘অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার দিন’। যেখানে একসময় এই শিশুদের অবহেলা আর অন্ধকারের আড়ালে লুকিয়ে রাখা হতো, হীনমন্যতা ও সংকীর্ণতা মনে করা হতো— সেই দিন হোক সকল ভুল ধারণা দূর করার এবং তাদের নিয়ে স্বপ্নের বীজ বুনার দিন।
তবে কেবল একদিন নীল আলোয় দালান সাজানোই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন আমাদের মনের অন্ধকার দূর করা। তাদের প্রতি কৃপা বা দয়া নয়, বরং ভালোবাসার এক উষ্ণ আলিঙ্গন প্রয়োজন।
২ এপ্রিলের শপথ হোক— আমরা তাদের কাঁচের দেয়াল ভাঙব না; বরং সেই দেয়ালের ভেতরে প্রবেশ করে তাদের জগতটাকে আপন করে নেব। কারণ, প্রতিটি নীল রঙের আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক একটি অসম্ভব সুন্দর সম্ভাবনা, যা কেবল ভালোবাসার স্পর্শেই প্রস্ফুটিত হতে পারে।
লেখক : প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
সচেতন হই, সহানুভূতিশীল হই, অটিজমের পাশে দাঁড়াই
জয় পাল অর্ঘ
বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস, যা প্রতি বছর ২ এপ্রিল পালিত হয়, আমাদের মনে করিয়ে দেয়— প্রতিটি মানুষই অনন্য, আর সেই অনন্যতাই তার বিশেষত্ব। অটিজম একটি নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার বা স্নায়বিক বিকাশজনিত অবস্থা; এর ফলে শিশুর যোগাযোগ, আচরণ ও সামাজিক মেলামেশায় ভিন্নতা সৃষ্টি হয়।
অনেক সময় আমরা অজ্ঞতা ও ভুল ধারণার কারণে অটিজমসম্পন্ন শিশুদের অবহেলা করি, যা তাদের বিকাশের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই বিশেষ দিনে আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করা।
অটিজম কোনো রোগ নয় যে এটি সম্পূর্ণ নিরাময় করতেই হবে; বরং এটি একটি ভিন্নধর্মী বিকাশ, যা বোঝা এবং গ্রহণ করা জরুরি। সঠিক শিক্ষা, থেরাপি ও পারিবারিক সমর্থন পেলে অটিজমসম্পন্ন শিশুরাও তাদের প্রতিভা বিকাশ করতে পারে এবং সমাজে অবদান রাখতে সক্ষম হয়। অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে।
আসুন, আমরা বৈচিত্র্যকে শ্রদ্ধা করি, সহমর্মিতা বাড়াই এবং অটিজমসম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়াই। কারণ, একটি মানবিক সমাজ গড়তে সবার অংশগ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
লেখক : শিক্ষার্থী, ফার্মেসি বিভাগ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, গোবিপ্রবি শাখা।
অটিজম : চাই না করুণা, প্রয়োজন ভালোবাসা ও একীভূত সমাজ
মো. বাইজিদ শেখ
প্রতিটি শিশুই এক একটি রঙিন স্বপ্ন নিয়ে জন্মায়। কিন্তু কিছু শিশুর জগতটা আমাদের চেয়ে একটু আলাদা হয়। ২ এপ্রিল ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অটিজম কোনো অভিশাপ বা রোগ নয়; বরং এটি মস্তিষ্কের এক ভিন্নধর্মী স্নায়ুবিক বিকাশ।
অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিরা হয়তো আমাদের মতো করে গুছিয়ে কথা বলতে পারে না, কিন্তু তাদের বুকেও থাকে এক পাহাড়জমানো আবেগ। সমাজের বাঁকা দৃষ্টি আর অবহেলা তাদের যতটা না কষ্ট দেয়, তার চেয়ে বেশি কাঁদায় আমাদের অজ্ঞতা। তাই এই সংকটের সবচেয়ে বড় সমাধান লুকিয়ে আছে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনে। তাদের প্রয়োজন করুণা বা বিচ্ছিন্নতা নয়, বরং একটুখানি সহানুভূতি, বন্ধুত্বের উষ্ণ আলিঙ্গন এবং সঠিক পরিচর্যা।
পরিবার থেকে শুরু করে বিদ্যালয় ও কর্মক্ষেত্রে যদি আমরা তাদের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাধাহীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারি, তবে এই বিশেষ মানুষরাই একদিন সমাজের অমূল্য সম্পদে পরিণত হবে। সঠিক থেরাপি, বিশেষায়িত শিক্ষা ও ভালোবাসার পরশে তাদের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভাগুলো অনায়াসে ডানা মেলতে পারে।
আসুন, অটিজমকে ভয় বা আড়াল না করে ভালোবাসায় জয় করি। গড়ে তুলি এমন এক পৃথিবী, যেখানে প্রতিটি ভিন্নতাই পাবে পরম স্বীকৃতি।
লেখক : শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ।
দৃষ্টিভঙ্গি বদলাই, অটিজমকে জানি
রিশাদ চৌধুরী
অটিজম বা অটিস্টিক শব্দগুলো শুনলেই আজও আমাদের সমাজের দৃষ্টি কেমন যেন তীক্ষ্ণ হয়ে যায়, তাই না? অনেকেই মনে করেন, অটিস্টিক শিশু মানেই মানসিক রোগী। তারা শিশুটিকে সুস্থ করতে চায়, অথচ সে কখনোই অসুস্থ ছিল না। সে শুধু অন্য সবার চেয়ে আলাদা।
অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (ASD) মূলত মস্তিষ্কের বিকাশজনিত একটি বিশেষ অবস্থা। এটি ব্যক্তিভেদে আলাদা হয় বলেই একে স্পেকট্রাম বলা হয়। কেউ হয়তো জনসমাগম এড়িয়ে চলে, কেউ শব্দ বা আলোর প্রতি তীব্র সংবেদনশীল, আবার কেউ হয়তো একই কাজ বারবার করতে পছন্দ করে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সমস্যা আছে।
বরং বাস্তবতা হলো, অনেক অটিস্টিক শিশু সাধারণের চেয়েও বেশি মেধাবী হয়। গণিত, প্রোগ্রামিং বা জটিল সব বিষয়ে তাদের দক্ষতা অনেক সময় বিস্ময়কর। যাকে ‘হাই-ফাংশনাল অটিজম’ বলা হয়। Elon Musk বা Greta Thunberg-এর মতো ব্যক্তিত্বরা এর উজ্জ্বল উদাহরণ।
অটিজম সচেতনতা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রতিটি শিশুই অনন্য সম্ভাবনা নিয়ে জন্মায়। তারা অবহেলা বা করুণার পাত্র নয়; বরং আমাদের সহনশীলতা ও ভালোবাসার দাবিদার। সঠিক পরিচর্যা ও সুন্দর পরিবেশ পেলে আজকের অটিস্টিক শিশু হয়ে উঠতে পারে আগামীর অনুপ্রেরণা।
লেখক : শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ।
অটিজম: শিশুর বিকাশে বাবা-মার ভূমিকা
জনি তালুকদার
অটিজম শিশুদের যোগাযোগ, সামাজিক মেলামেশা, মনোযোগ ধরে রাখা, নতুন কিছু শেখা ও আবেগ প্রকাশে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। শিশুদের অটিজম থেকে সুরক্ষা ও বিকাশে মা-বাবার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
বাবা-মায়ের মূল দায়িত্ব হলো শিশুর আচরণ লক্ষ্য রাখা এবং সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া। ভালোবাসা, ধৈর্য ও সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশুর বিকাশে সহায়তা করা সম্ভব।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ৬৮% মানুষ গ্রামে বাস করে। ফলে অনেক গ্রামাঞ্চলের বাবা-মায়েরা অটিজম সম্পর্কে সচেতন নন। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় শিক্ষকরা অভিভাবক সভার মাধ্যমে এবং কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারেন। সচেতন বাবা-মায়ের সন্তানও সচেতন হবে।
অটিজমের মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে জিনগত সমস্যা থাকে। জন্মগত কারণে এটি পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে সঠিক প্রজনন পরামর্শ, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা ও নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ করলে ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
সঠিক যত্ন ও সহানুভূতির মাধ্যমে অটিজমে আক্রান্ত শিশুরাও স্বাভাবিক ও সফল জীবনযাপন করতে পারে। সচেতনতা বাড়ালে সমাজে গ্রহণযোগ্যতা ও সমর্থন বৃদ্ধি পায়।
অটিজম কোনো অভিশাপ নয়; এটি মস্তিষ্কের ভিন্নধর্মী বিকাশ। জিনগত সমস্যার সম্পূর্ণ প্রতিরোধ সম্ভব না হলেও সঠিক প্রজনন পরামর্শ ও নিয়মিত চিকিৎসা ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। পরিবেশগত প্রভাব কমাতে নিরাপদ খাদ্য, পরিষ্কার পানি ও স্বাস্থ্যসচেতন জীবনধারা বজায় রাখা জরুরি। সর্বোপরি, বাবা-মায়ের সচেতনতাই পারে শিশুকে রক্ষা করতে।
লেখক : তরুণ কলামিস্ট ও শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ।
(এই লেখা লেখকবৃন্দের একান্ত ব্যক্তিগত অভিমত; এ সংক্রান্ত কোনো দায় দৈনিক মূলধারা বহন করবে না)













