Monday, 19 October 2026
  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • গোপনীয়তার নীতি
  • যোগাযোগ
  • লগইন
  • রেজিস্টার
Muldhara - Bangla Daily
Advertisement
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
Muldhara - Bangla Daily
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
প্রচ্ছদ মতামত

ভূমিকম্প প্রতিরোধে সচেতনতা ও প্রযুক্তি সহায়তা

ড. এম মেসবাহউদ্দিন সরকার

Muldhara পোস্ট করেছেন Muldhara
November 22, 2025
মধ্যে মতামত
0
ভূমিকম্প প্রতিরোধে সচেতনতা ও প্রযুক্তি সহায়তা

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সচেতনতা ও অবকাঠামোগত শৃঙ্খলা মিলেই বাংলাদেশকে ভূমিকম্প-সহনশীল নিরাপদ দেশে রূপান্তর করা সম্ভব।

0
শেয়ার
61
দেখেছেন
Share on FacebookShare on Twitter

এত তীব্র মাত্রার (৫.৭) ভূমিকম্প অনেকের জীবনেই প্রথম।  বিল্ডিংয়ের কটকট ঝাঁকুনি, পানির অস্বাভাবিক কম্পন, ভয়ে মানুষের আর্তচিত্কার, দিগিবদিক দৌড়াদৌড়ি সবই ছিল আবালবৃদ্ধবনিতা সবার জন্য নতুন এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। আসলে ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের মিলনস্থলে অবস্থিত—এগুলো হলো পূর্বে ভারতীয় প্লেট, উত্তরে ইউরেশীয় প্লেট এবং দক্ষিণ-পূর্বে বার্মা মাইক্রোপ্লেট—এই তিনটি প্লেটের পারস্পরিক গতিবিধি বাংলাদেশের ভূমিকম্পের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। ভূপ্রাকৃতিক গঠন অনুযায়ী দেশের পূর্বাঞ্চল, বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সম্ভাব্য এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের কিছু অংশেও ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়, যদিও তা তুলনামূলকভাবে কম শক্তিশালী।

ইতিহাস বলছে, বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অতিক্রান্ত বড় বড় ভূমিকম্প (যেমন—১৮৯৭ সালের গ্রেট আসাম ভূমিকম্প ও ১৯১৮ সালের বঙ্গভূমিকম্প) দেশের ভূতাত্ত্বিক দুর্বলতার স্পষ্ট প্রমাণ। এসব প্রাকৃতিক কারণ কেবল অবকাঠামো নয়; জনজীবন, অর্থনীতি ও সমগ্র জাতীয় নিরাপত্তাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। ইতিহাসবিদদের মতে ঐসব বড় ভূমিকম্পের ফলে  সমতলের মাটি ছিটকে পাহাড় হয়েছে, নদীর প্রবাহ এক স্থান থেকে অন্যস্থানে চলে গিয়েছে—বর্তমানে বাংলাদেশ ভূমিকম্পের দিক থেকে আগের চেয়ে অনেক বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতি বছর দেশে গড়ে ১০০-১৫০টি ক্ষুদ্র বা মাঝারি মাত্রার কম্পন রেকর্ড করা হয়, যেগুলোর বেশির ভাগই চোখে পড়ার মতো অনুভূত না হলেও ভূগঠনকে দুর্বল করে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্যোগের পূর্বাভাস দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধীরে ধীরে প্লেট সীমান্তে চাপ সঞ্চিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে। ঢাকার মতো জনবহুল মহানগরে উচ্চ ভবন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অপর্যাপ্ত বিল্ডিং কোড এবং দুর্বল সরঞ্জাম ব্যবহারের কারণে ভূমিকম্পের ঝুঁকি আরো কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষণা বলছে, ঢাকা শহরে সাত বা তার বেশি মাত্রার একক ভূমিকম্প লাখ লাখ মানুষের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। ভূমিকম্পপ্রবণতা কেবল প্রাকৃতিক কারণে নয়; মানবসৃষ্ট ভুল অবকাঠামো, জমিনের নিচে বালুচক্রের অস্থিতিশীলতা, ড্রিলিং, খনন এবং অপরিকল্পিত নগর বিস্তারও ঝুঁকি বাড়ায়।

বাংলাদেশে ভূমিকম্প-ঝুঁকির প্রধান একটি কারণ হলো—দুর্বল অবকাঠামো ও অপরিকল্পিত নির্মাণব্যবস্থা। দেশের অধিকাংশ ভবন নির্মাণে যথাযথ ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ম মানা হয় না, ফলে ভূমিকম্পের চাপ সামলানোর মতো স্থায়িত্ব অনেক ভবনের নেই। বিশেষ করে পুরান ঢাকা, সিলেট শহরের পুরোনো এলাকা এবং চট্টগ্রামের ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো থাকলেও অধিকাংশ মানুষ জানে না—কীভাবে ভূমিকম্পের সময় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও সচেতনতাপ্রশিক্ষণ খুব সীমিত। উদ্ধার বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুতিও আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অপর্যাপ্ত। ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার অভিযান জটিল হয় প্রধানত সরু রাস্তা, গলিপথ, উচ্চ ঘনত্বের জনসংখ্যা এবং অযত্নে গড়ে ওঠা ভবনের কারণে। তবে প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দেশে বর্তমানে একাধিক সিসমোলজিক্যাল অবজারভেটরি আছে, যা ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ ও আগাম তথ্য বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে, যেমন—ভূমিকম্প পূর্বাভাস মডেলিং, জিআইএস ম্যাপিং, ফাল্টলাইন বিশ্লেষণ, ভূগর্ভে চাপ সঞ্চয়ের হিসাব, স্ট্রাকচারাল হেলথ মনিটরিং ইত্যাদি। বড় আকারের সরকারি ভবন, সেতু, উড়ালপুল এবং বাঁধগুলো এখন ভূমিকম্প-সহনশীল নকশায় নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগগুলো পুরো দেশব্যাপী কার্যকর করতে আরো সমন্বিত প্রচেষ্টা, গবেষণা ও কঠোর আইন প্রয়োগ জরুরি।

তবে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠনকে বদলে ফেলার মতো প্রযুক্তি এখনো মানবজাতির হাতে না থাকলেও, আধুনিক গবেষণা ভূমিকম্পের ক্ষতি কমানো, যথাসময়ে সতর্কতা প্রদান এবং ভবনগুলোকে নিরাপদ রাখার মতো বহু প্রতিকার উদ্ভাবন করেছে। এই প্রযুক্তিগুলো মানুষকে ভূমিকম্প মোকাবিলায় আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্ষম করে তুলছে। যেমন :

১. ভূমিকম্প পূর্বাভাস ও মনিটরিং প্রযুক্তি—ভূমিকম্প সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে অ   াগে থেকে জানানো সম্ভব নয়, কিন্তু উন্নত সিসমিক মনিটরিং সিস্টেম ভূমিকম্পের আগাম সতর্কতা দিতে পারে। ডিজিটাল  সিসমোমিটার ও সিসমোগ্রাফ পৃথিবীর কম্পন শনাক্ত করে দ্রুত তথ্য পাঠায়। আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (Earthquake Early Warning—EEW) ভূমিকম্পের প্রাথমিক ছোট তরঙ্গ (P-wave) শনাক্ত করে বড় তরঙ্গ (S-wave) পৌঁছানোর কয়েক সেকেন্ড আগে সতর্কবার্তা দেয়। জাপান, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রেন থামানো, গ্যাসলাইন বন্ধ করা, মানুষকে আশ্রয়ে যেতে সাহায্য করা ইত্যাদি করে থাকে।

২. বেস আইসোলেশন প্রযুক্তি—ভবনের নিচে রাবার ও স্টিলের কম্পন-শোষক প্যাড বসানো হয়। ভূমিকম্পের সময় মাটি নড়লেও ভবন তুলনামূলক স্থির থাকে। এই প্রযুক্তি জাপান ও ক্যালিফোর্নিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয়।

৩. ড্যাম্পিং সিস্টেম—ভবনের ভেতরে বিশেষ ‘ভিসকাস ড্যাম্পার’ বা ‘টিউনড মাস ড্যাম্পার’ বসানো হয়, যা কম্পনের শক্তি শোষণ করে। তাই ভবন কম দোলে।

৪. ফ্লেক্সিবল স্ট্রাকচার ডিজাইন—আধুনিক ভবনগুলো কঠোর নয়; ইস্পাত ও শক্তিশালী নমনীয় উপাদান ব্যবহার করে এগুলোকে কিছুটা দোলার ক্ষমতা দেওয়া হয়, যাতে ভেঙে না পড়ে।

৫. স্মার্ট সেন্সর ও আইওটি-ভিত্তিক নিরাপত্তাব্যবস্থা—স্মার্ট প্রযুক্তি ভূমিকম্পের সময় ভবনের অবস্থা এবং ঝুঁকি শনাক্ত করতে সাহায্য করে; যেমন—আইওটি সেন্সর, যা ভবনের কম্পন, স্ট্রেস, ফাটল ইত্যাদি পরিমাপ করে ক্লাউডে তথ্য পাঠায়—এআই অ্যানালাইসিস, যা ডেটা বিশ্লেষণ করে জানায় ভবনটি নিরাপদ কি না। কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যালার্ম বাজে কিংবা গ্যাস/বিদ্যুত্ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

৬. ভূমিকম্প-সহনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন—শুধু ভবন নয়, সেতু, রেললাইন, গ্যাসলাইন, ডাটা সেন্টার ইত্যাদি সব ধরনের অবকাঠামোতে প্রযুক্তিগত প্রতিকার জরুরি। এর মধ্যে আছে শক অ্যাবজরবার, যা সেতুতে ব্যবহার করা হয় কম্পনের শক্তি কমাতে। স্বয়ংক্রিয় গ্যাস শাট-অফ সিস্টেম, যা ভূমিকম্পের সময় গ্যাস বন্ধ করে আগুন লাগা রোধ করে।

৭. ভূকম্পীয় মানচিত্র ও ভূগোলভিত্তিক পরিকল্পনা—ভূমিকম্প রোধের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিগত উপায় হলো, সঠিক জায়গায় সঠিক ধরনের ভবন তৈরি করা। এর জন্য ব্যবহূত হয় :জিওফিজিক্যাল জরিপ, ত্রিমাত্রিক ফল্ট মডেলিং, জিআইএস-ভিত্তিক ভূমিকম্প ঝুঁকি মানচিত্র—এর মাধ্যমে কোন এলাকায় ভবন কতটা শক্তিশালী হবে, কোথায় উঁচু ভবন করা যাবে না, কোন জায়গা ‘রেড জোন’—এসব নির্ধারণ করা হয়।

৮. রিমোট সেন্সিং ও স্যাটেলাইট মনিটরিং—স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ভূঅভ্যন্তরের পরিবর্তন, প্লেট চলাচল, ভূমি ফাটল এবং ভূপৃষ্ঠ ওঠানামা শনাক্ত করতে পারে।

প্রযুক্তির পাশাপাশি ভূমিকম্পের ক্ষতি কমাতে প্রথম প্রয়োজন জনসচেতনতা বৃদ্ধি। প্রতিটি পরিবারের উচিত একটি ভূমিকম্প জরুরি প্রস্তুতি পরিকল্পনা তৈরি করা, যেমন—নিরাপদ স্থান চিহ্নিত করা, প্রাথমিক চিকিত্সা সরঞ্জাম রাখা, পরিবারের সব সদস্যকে প্রশিক্ষিত করা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস ও শিল্পকারখানায় নিয়মিত মহড়া পরিচালনা করা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে। নতুন ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুযায়ী স্থাপত্য ও ইঞ্জিনিয়ারিং নকশা অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা উচিত। পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা প্রয়োজন। রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গঠন করলে দেশের ভৌগোলিক কাঠামো, ফল্টলাইন, মাইক্রো-জোনেশন ম্যাপ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে আরো সঠিক পূর্বাভাস পাওয়া যাবে। সর্বোপরি, ভূমিকম্প প্রতিরোধ কেবল সরকারের দায় নয়; এটি নাগরিক, বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, গণমাধ্যম ও সমাজের সব অংশের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই সম্ভব। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সচেতনতা ও অবকাঠামোগত শৃঙ্খলা মিলেই বাংলাদেশকে ভূমিকম্প-সহনশীল নিরাপদ দেশে রূপান্তর করা সম্ভব।

লেখক : অধ্যাপক, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, আইআইটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ট্যাগস: অপরিকল্পিত নগরদৈনিক মূলধারাপ্রাকৃতিক বিপর্যয়ভূমিকম্পভূমিকম্প প্রতিরোধসক্রিয় টেকটোনিক প্লেট
আগের নিউজ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ইবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

পরের নিউজ

বাউল ভক্তদের মানববন্ধনে হামলা, আহত ৪

Muldhara

Muldhara

পরের নিউজ
বাউল ভক্তদের মানববন্ধনে হামলা, আহত ৪

বাউল ভক্তদের মানববন্ধনে হামলা, আহত ৪

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • আলোচিত
  • কমেন্টস
  • সর্বশেষ
যশোরে দিনেদুপুরে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

যশোরে দিনেদুপুরে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

February 20, 2025
সিএণ্ডএফের `লীগ-আসাদের’ দালালি-দুর্নীতি

সিএণ্ডএফের `লীগ-আসাদের’ দালালি-দুর্নীতি

December 14, 2025
রুয়াপ নির্বাচন স্থগিত, কবে হবে ভোট?

রুয়াপ নির্বাচন স্থগিত, কবে হবে ভোট?

October 17, 2025
সরকার গ্রুপ মাতালো টেবিল টেনিসে

সরকার গ্রুপ মাতালো টেবিল টেনিসে

December 17, 2025
ইতিহাস গড়তে ভোট দিচ্ছেন মার্কিনরা

ইতিহাস গড়তে ভোট দিচ্ছেন মার্কিনরা

0
পুলিশি অভিযানে গতি এসেছে

পুলিশি অভিযানে গতি এসেছে

0
জয়ের পথে ট্রাম্প!

জয়ের পথে ট্রাম্প!

0
জলবায়ু পরিবর্তন: ভবিষ্যৎ এবং করণীয়

জলবায়ু পরিবর্তন: ভবিষ্যৎ এবং করণীয়

0
বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

October 14, 2026
বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

October 5, 2026
বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

October 1, 2026
রাজনীতিতে ‘আত্মজিজ্ঞাসা’ কেন প্রয়োজন

এত শিশু কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে?

September 27, 2026

সাম্প্রতিক খবর

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

বিইইউ পেলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি, প্রশিক্ষণ শুরু

October 14, 2026
বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

বসুন্ধরায় নির্মাণ খাতের মানোন্নয়নে মতবিনিময়

October 5, 2026
বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

October 1, 2026
রাজনীতিতে ‘আত্মজিজ্ঞাসা’ কেন প্রয়োজন

এত শিশু কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে?

September 27, 2026
Facebook Twitter Youtube RSS
muldhara logo

Daily Muldhara - Reliable Source for News & Opinion.

আমাদের সাথে থাকুন

গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ

  • News Special
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আইন-আদালত
  • আন্তর্জাতিক
  • উপসম্পাদকীয়
  • কৃষিজ
  • ক্রাইম
  • খেলাধুলা
  • চিঠিপত্র
  • জাতীয়
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • ধর্মকর্ম
  • পরিবেশ
  • পাঠকের অভিমত
  • প্রজন্মের চোখ
  • ফিচার
  • বাণিজ্য
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • শিক্ষা
  • সংগঠন
  • সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • সম্পাদকীয়
  • সম্পাদকীয়
  • সর্বশেষ
  • সারাদেশ
  • সাহিত্য
  • সাহিত্যাঙ্গন
  • স্বাস্থ্য

ঠিকানা

H-G/44, Block-G, Road: E/1, Eastern Housing, 2nd Phase, Rupnagar, Dhaka-1216, Bangladesh.

© 2025-2026 দৈনিক মূলধারা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য

© 2025-2026 দৈনিক মূলধারা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত