২০১৮ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের সৃজনশীল বিকাশে গিটার, তবলা, হারমোনিয়াম, ড্রাম প্যাডসহ নানা বাদ্যযন্ত্র সরবরাহ করা হয়। কর্তৃপক্ষের এই ইতিবাচক পদক্ষেপে উদ্বুদ্ধ হয়ে সাজাপ্রাপ্ত এক তরুণ আসিফের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মননচর্চা’। এরই ধারাবাহিকতায় আত্মপ্রকাশ ঘটে কারাবন্দীদের বিশেষ ব্যান্ড ‘কাকতাল’। তারা কারাগারেই তৈরি করেন আড়াই শতাধিক গান। ২০১৯ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে ‘কারাগারের গান’ শিরোনামে বন্দীদের তৈরি ১৩টি মৌলিক গান প্রকাশিত হয়।
২০২১ সালে কারামুক্তির পর আসিফ স্বাধীনভাবে নতুন উদ্যোগে ‘কাকতাল’ ব্যান্ডকে পুনর্গঠন করেন। পরবর্তীকালে এক সাক্ষাৎকারে আসিফ জানান, কারাগারে এই সুযোগ না পেলে হয়তো তিনি কখনো সংগীতচর্চাই করতেন না—যা প্রমাণ করে একটি সুন্দর মানবিক উদ্যোগ কীভাবে মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। যদিও বর্তমানে এই কার্যক্রম সচল থাকার দাবি করা হয়, তবু ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে বিগত দুই বছরে নতুন কোনো আপডেট নেই। অপরাধ বিশ্লেষক ও কারাবিশেষজ্ঞদের মতে কারাবন্দীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে এমন ইতিবাচক ও কার্যকর উদ্যোগগুলোকে থমকে যেতে না দিয়ে দেশের প্রতিটি কারাগারে এর ব্যাপক প্রসার ঘটানো অত্যন্ত জরুরি।













