Thursday, 1 October 2026
  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • গোপনীয়তার নীতি
  • যোগাযোগ
  • লগইন
  • রেজিস্টার
Muldhara - Bangla Daily
Advertisement
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
Muldhara - Bangla Daily
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
প্রচ্ছদ মতামত উপসম্পাদকীয়

গ্রাম আদালত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পৃথক হোক

আ ক ম সাইফুল ইসলাম চৌধুরী

Muldhara পোস্ট করেছেন Muldhara
August 12, 2026
মধ্যে উপসম্পাদকীয়
0
গ্রাম আদালত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পৃথক হোক

গ্রাম আদালত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পৃথক হোক। গ্রাফিকস : সোহেল আশরাফ

0
শেয়ার
21
দেখেছেন
Share on FacebookShare on Twitter

দেওয়ানি ও ফৌজদারি ছোটখাটো নানা বিরোধেই হাজার বছর ধরে গ্রাম বাংলায়  চলে এসেছে সালিশি ব্যবস্থা। এমনকি ঢাকা শহরে মহল্লার সরদারগণও সালিশ নিষ্পত্তি করতেন বলে জানা যায়। রাজার দরবার, কাজীর আদালত বা পরবর্তীকালের কোর্ট-কাচারিতে যাওয়ার আগে এসব সালিশেই মিটে যেত বেশির ভাগ বিরোধ। ১৯৭৬ সালে প্রথম বারের মতো গ্রামীণ এই সালিশিকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করা হয়। অধ্যাদেশের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে প্রধান করে গঠন করা হয় গ্রাম আদালত। গঠনকালে ৫ হাজার টাকা বা তার কম মূল্যমানের ফৌজাদারি ও দেওয়ানি অপরাধ বিচারের জন্য গ্রাম আদালতকে এক্তিয়ার দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীকালে আইন হয়েছে, আইনে সময়ে সময়ে যোজন বিয়োজন ঘটেছে।

২০২৪ সাল থেকে গ্রাম আদালতে মামলার আর্থিক সীমা ৩ লাখ টাকা ধার্য হয়েছে, এমনকি গ্রাম আদালতকেও সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা জরিমানা আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ১৯৮৩ সাল থেকে বছর দশেক উপজেলায় ফৌজদারি ও দেওয়ানি আদালত থাকার সময়টুকু বাদ দিলে গ্রামের নিরীহ মানুষের আইনঘটিত বিষয়ে আশ্রয়স্থল গ্রাম আদালত।

গ্রাম আদালত গঠিত হয় পাঁচ জনকে নিয়ে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (বা আইন অনুযায়ী মনোনীত প্যানেল চেয়ারম্যান বা অন্য কোনো ইউপি সদস্য)। বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষই অন্তত এক জন করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও অন্য এক জন করে ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে পারে। তবে গ্রাম আদালতে আইনজীবী গ্রাহ্য নয়। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা প্যানেল চেয়ারমান কোনো কারণে কোনো মামলায় গ্রাম আদালতে প্রধান হতে অপারগ হলে বা কোনো পক্ষ চেয়ারমান বা প্যানেল চেয়ারম্যান সম্পর্কে আপত্তি উত্থাপন করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোনো সদস্য (যিনি কোনো পক্ষ দ্বারা মনোনীত নন)-কে গ্রাম আদালত পরিচালনার দায়িত্ব দেবেন। আমাদের সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় শাসন নির্বাহী বিভাগের অধীনে।


গ্রাম আদালতের বিচারিক ব্যবস্থাদি এখন যেমন, তেমনি থাকবে। পৃথক গ্রাম আদালত ভবন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদ ভবনেই গ্রাম আদালতের কাজ চলতে পারে। তবে প্রত্যেক গ্রাম আদালতের জন্য একজন অফিস সহকারী কাম পেশকার ও একজন অফিস সহায়ক নিয়োগ করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার দফাদার গ্রাম আদালতের জারিকারপকের কাজ করবেন। প্রতিটি মামলায় বাদী ও বিবাদী যেমন একজন করে প্রতিনিধি দিয়ে আসছেন, এই আদালতেও তা-ই দেবেন


সংবিধানের চতুর্থ ভাগের তৃতীয় পরিচ্ছদের শিরোনাম এবং অনুচ্ছেদ ৫৯ ও ৬০- এ বর্ণিত স্থানীয় শাসনের ইংরেজি Local government করেও ব্যাবহারিক ক্ষেত্রে আমরা বাংলা করেছি স্থানীয় সরকার। দেশের স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো  সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ। এই পাঁচটি স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কেবল ইউনিয়ন পরিষদেই আদালত পরিচালিত হয়। সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদমতে রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথক্করণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামল থেকে এই শতাব্দীর প্রথম দশক পর্যন্ত দেশে ফৌজদারি মামলা আমলে নেওয়া থেকে শুরু করে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের দণ্ড প্রদান পর্যন্ত বিচারিক কাজ করত নির্বাহী বিভাগ। আলোচিত মাসদার হোসেন মামলার আদেশের বলে সরকার ২০০৯ সালে নির্বাহী বিভাগের বিচারিক ক্ষমতা লোপ করে।

স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাহী বিভাগ হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে গ্রাম আদালত পরিচালনা সংবিধানের পরিপন্থি। বিদ্যমান গ্রাম আদালত আইনে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্যের মধ্যে কমপক্ষে তিন জন প্রতিটি গ্রাম আদালতের সদস্য হন। পরিষদের সদস্যগণ নির্দলীয়ভাবে নির্বাচিত হলেও তারা প্রকৃতপক্ষে কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য। গত দুই নির্বাচনে চেয়ারম্যান দলীয় প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন। সামনের নির্বাচন থেকে চেয়ারম্যানও নির্দলীয়ভাবে নির্বাচিত হবেন। চেয়ারম্যানও যতই নির্দলীয়র লেবেল আঁটুক না কেন, রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাই মূলত স্থানীয় শাসনের নির্বাচনে অংশ নেন ও বিজয়ী হন। রাজনৈতিক নেতাগণ চেয়ারম্যান-মেম্বার নির্বাচিত হয়ে বিচারকের আসনে বসলে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা কাজ করতেই পারে। তাতে বিচারপ্রার্থীগণের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তাহলে কি গ্রাম আদালত বিলুপ্ত করতে হবে? মোটেও না। গ্রাম আদালতকে নির্বাহী বিভাগ তথা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের করে এনে স্বাধীন গ্রাম আদালত গঠন করতে হবে। প্রস্তাবিত স্বাধীন গ্রাম আদালত ইউনিয়ন পরিষদ অধিক্ষেত্রে সর্বজনীন ভোটের মাধ্যমে কমপক্ষে একজন নারী বা পুরুষসহ তিন জনকে নির্বাচিত করবে। অন্তত একজন নারী বা পুরুষ সদস্যের নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য রিটার্নিং অফিসার যদি ভোট গণনার পরে দেখেন প্রথম দুই জন প্রার্থীই পুরুষ বা নারী, তাহলে তিনি অবশিষ্ট প্রার্থীদের মধ্য থেকে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত নারী বা পুরুষকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। পদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। গ্রাম আদালতের বিচারিক ব্যবস্থাদি এখন যেমন, তেমনি থাকবে। পৃথক গ্রাম আদালত ভবন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদ ভবনেই গ্রাম আদালতের কাজ চলতে পারে। তবে প্রত্যেক গ্রাম আদালতের জন্য একজন অফিস সহকারী কাম পেশকার ও একজন অফিস সহায়ক নিয়োগ করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার দফাদার গ্রাম আদালতের জারিকারপকের কাজ করবেন। প্রতিটি মামলায় বাদী ও বিবাদী যেমন একজন করে প্রতিনিধি দিয়ে আসছেন, এই আদালতেও তা-ই দেবেন। নির্বাচিত তিন জন ও মনোনীত দুই জনসহ আদালত গঠিত হবে পাঁচ সদস্য নিয়ে। ফলে প্রতিটি মামলায় আদালত হবে পৃথক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। মনোনীত দুই জনসহ কমপক্ষে চার জন বিচারক উপস্থিত থাকলে কোরাম হবে ও আদালত বসতে পারবে। প্রতিটি মামলায় নির্বাচিত বিচারকদের মধ্য থেকে একজন লটারির মাধ্যমে প্রধান বিচারকের আসনে আসীন হবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের ভিত্তিতে মামলার আদেশ হবে। চার জনের উপস্থিতিতে মতামত ২-২ হলে প্রধান বিচারক যে পক্ষে মত দেবেন, মামলার রায় সেপক্ষেই গেছে বলে গণ্য হবে।

সুশীল সমাজের অনেকের দাবি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদ একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বিধায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের গ্র্যাজুয়েট হওয়ার বা যে কোনো শিক্ষার মানদণ্ডে বেঁধে দেওয়ার প্রস্তাবে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিরোধী। তবে গ্রাম আদালতের বিচারক প্যানেলের সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, প্রভৃতি নির্ধারণ করে দেওয়ার পক্ষে। স্বচ্ছ ব্যক্তিত্বের অধিকারী বিচারক প্যানেলের সদস্যগণের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমানের পর কমপক্ষে তিন বছরের সফল অধ্যয়ন, বয়স ৫০ থেকে ৭২ বছর, নিজে ও পরিবারের কোনো সদস্য (স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান) কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য না থাকা বা পূর্বে কোনো স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানের কোনো পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা প্রার্থীর যোগ্যতা হতে পারে। এমনকি কর্মরত সরকারি-বেসরকারি কোনো চাকরি বা আইনজীবীও প্রার্থী হতে পারবেন না। বিচারক প্যানেলের নির্বাচিত সদস্য মেয়াদন্তে কোনো স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না বলে বিধান করতে হবে। একমাত্র বিচারক নির্বাচন ছাড়া গ্রাম আদালতের বিদ্যমান বিধিবিধান যেমন আছে, তেমনভাবেই থাকবে।

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব
আগের নিউজ

প্রবাসীর জীবন কি এতটাই সস্তা?

পরের নিউজ

আখেরি চাহার শোম্বার তাৎপর্য

Muldhara

Muldhara

পরের নিউজ
আখেরি চাহার শোম্বার তাৎপর্য

আখেরি চাহার শোম্বার তাৎপর্য

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • আলোচিত
  • কমেন্টস
  • সর্বশেষ
যশোরে দিনেদুপুরে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

যশোরে দিনেদুপুরে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

February 20, 2025
সিএণ্ডএফের `লীগ-আসাদের’ দালালি-দুর্নীতি

সিএণ্ডএফের `লীগ-আসাদের’ দালালি-দুর্নীতি

December 14, 2025
রুয়াপ নির্বাচন স্থগিত, কবে হবে ভোট?

রুয়াপ নির্বাচন স্থগিত, কবে হবে ভোট?

October 17, 2025
সরকার গ্রুপ মাতালো টেবিল টেনিসে

সরকার গ্রুপ মাতালো টেবিল টেনিসে

December 17, 2025
ইতিহাস গড়তে ভোট দিচ্ছেন মার্কিনরা

ইতিহাস গড়তে ভোট দিচ্ছেন মার্কিনরা

0
পুলিশি অভিযানে গতি এসেছে

পুলিশি অভিযানে গতি এসেছে

0
জয়ের পথে ট্রাম্প!

জয়ের পথে ট্রাম্প!

0
জলবায়ু পরিবর্তন: ভবিষ্যৎ এবং করণীয়

জলবায়ু পরিবর্তন: ভবিষ্যৎ এবং করণীয়

0
বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

October 1, 2026
রাজনীতিতে ‘আত্মজিজ্ঞাসা’ কেন প্রয়োজন

এত শিশু কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে?

September 27, 2026
উত্তরবঙ্গের ঈদযাত্রা : স্বস্তি ও শঙ্কার দোলাচল

সারে ভেজাল, কৃষকের সর্বনাশ

September 19, 2026
প্রতিহিংসার এই রাজনীতি আর কত কাল?

শিশুর পেট কি মাদক বহনের জায়গা?

September 9, 2026

সাম্প্রতিক খবর

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

বিইইউ : বসুন্ধরা ইঞ্জিনিয়ারদের নতুন নেতৃত্ব

October 1, 2026
রাজনীতিতে ‘আত্মজিজ্ঞাসা’ কেন প্রয়োজন

এত শিশু কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে?

September 27, 2026
উত্তরবঙ্গের ঈদযাত্রা : স্বস্তি ও শঙ্কার দোলাচল

সারে ভেজাল, কৃষকের সর্বনাশ

September 19, 2026
প্রতিহিংসার এই রাজনীতি আর কত কাল?

শিশুর পেট কি মাদক বহনের জায়গা?

September 9, 2026
Facebook Twitter Youtube RSS
muldhara logo

Daily Muldhara - Reliable Source for News & Opinion.

আমাদের সাথে থাকুন

গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ

  • News Special
  • Uncategorized
  • অর্থনীতি
  • আইন-আদালত
  • আন্তর্জাতিক
  • উপসম্পাদকীয়
  • কৃষিজ
  • ক্রাইম
  • খেলাধুলা
  • চিঠিপত্র
  • জাতীয়
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • ধর্মকর্ম
  • পরিবেশ
  • পাঠকের অভিমত
  • প্রজন্মের চোখ
  • ফিচার
  • বাণিজ্য
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • শিক্ষা
  • সংগঠন
  • সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • সম্পাদকীয়
  • সম্পাদকীয়
  • সর্বশেষ
  • সারাদেশ
  • সাহিত্য
  • সাহিত্যাঙ্গন
  • স্বাস্থ্য

ঠিকানা

H-G/44, Block-G, Road: E/1, Eastern Housing, 2nd Phase, Rupnagar, Dhaka-1216, Bangladesh.

© 2025-2026 দৈনিক মূলধারা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
কোন নিউজ পাওয়া যায়নি
সমস্ত নিউজ দেখুন
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্য খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • বাণিজ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষা
    • স্বাস্থ্য

© 2025-2026 দৈনিক মূলধারা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত